Skip to main content

Posts

ধর্ম সংজ্ঞা ত্বিতীয় পর্ব

Recent posts

ধর্ম সংজ্ঞা দ্বিতীয় পর্ব

ধর্ম হচ্ছে অযৌক্তিকতা, অন্ধবিশ্বাস, অজ্ঞতা, কুসংস্কার, ভয়, আতংক, সন্ত্রাস, রাজনীতি, এসবের সঙ্করায়নে তৈরি এক ধরণের টিনের চশমা যা পরলে আপনি সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য দেখতে পারেন। এই টিনের চশমা পরেই কেবল ঘোরী, কাসেম, বখতিয়ার খলজির মত অশিক্ষিত বর্বর গুন্ডাদের বীর বলে মনে হবে, নারীকে ফসলের ক্ষেত মনে হবে, আবার সারমাদ শহীদকে মনে হবে পাগল। আবার চরিত্রহীন কাউকে মনে হবে দেবতা, গরুকে মা বলে ভ্রম হবে। গডসে'কে জাতীয় বীর মনে হবে।

ধর্ম সংজ্ঞা প্রথম পর্ব

নাস্তিকরা যেখানে ধর্মই মানেনা সেখানে সংজ্ঞা চাওটা কি বুদ্ধির পরিচয়? এতো অনেকটা ইংরাজী ক্লাসে অঙ্কের প্রশ্ন করা। তবে আমার নজরে ধর্ম হলো "বিভিন্ন নিয়ম তৈরী করে মানুষকে সামাজিক বন্ধনে বাঁধা এবং মানুষকে অপরাধ মূলক কাজ থেকে দূরে রাখা। এবং পাশাপাশি ভক্তদের বোকা বানিয়ে ওই ধর্ম বিশ্বময় ছড়াবার জন্য নানা রকম কু-সংস্কার ও প্রলোভবন যুক্ত করাহয় এবং পরক্ষ/প্রত্যক্ষ ভাবে ভক্তরা বুঝে যায় আমার ধর্মই বিশ্বের সেরা ধর্ম। এবং এই ধর্মকে আমাদের রক্ষা করতে হবে এবং অন্য ধর্মের লোকেরা ধর্মের বিশ্বাসে আঘাত হানলে সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার জন্য মানসিক ভাবে তৈরী করা " এটাই ধর্ম।

ইশ্বরের খোঁজে

মানুষের সৃষ্টি হয়েছে,এটা ঠিক। কিন্তু কিভাবে হয়েছে বা কে করেছে পুরোটাই কাল্পনিক। তবে আল্লা/ভগবান কেউ সেই ব্যক্তি নন, কারন এদের মানুষের কল্পনা জন্ম দিয়েছে। যিনি আসল সৃষ্টি কর্তা তিনি একজনই হবেন। তাই নয় কি? তাহলে তাদের নকলের উপর আমাদের এত বিশ্বাস কেন করেন? এতে মানুষের মধ্যে এত ভেদাভেদ তৈরী হচ্ছে আপনারা কি দেখছেন না। উপর উপর মলম দিচ্ছেন, একদম ভেতরের রোগ হল নানান রকম ধর্ম। আপনি একবারটি ভাবুন "আল্লা বা ভগবান নেই" তার পর কোরানটা পড়ুন, দেখবেন সব বোকা বানাবার রাজনৈতিক সড়যন্ত্র , ইসলামকে পৃথিবীময় রাজত্ব করাবার একটি ভয়ানক পরিকল্পনা এটা ঈশ্বর করতে পারে না কারন সারা পৃথিবীটাই তো তার নতুন করে সড়যন্ত্র করার কি দরকার? প্রথমেই সবাইকে মুসলিম/হিন্দু বা খ্রীষ্টান বানাতেন, ধর্ম পরিবর্তনের খেলা বা ধর্ম বিস্তার/ প্রচারের প্রয়োজন ঈশ্বরের নেই । তবে হ্যাঁ, এসব ভাবতে গেলে সাহসের প্রয়োজন অনেকেরই সেটা নেই, যাদের আছে তারাই নাস্তিক।

পীর_ও_তার_মুরিদের_আলাপ

পীর - হ্যাঁ, তোরে কইছিলাম আল্লাহই এক মাত্র রব আর কোনো মাবুদ নাই। মুরিদ- জ্বী হুজুর এতদিন আমি আল্লাহকেই আমার মাবুদ মানছি। পীর- জানস তো এই মহাবিশ্ব আল্লাহ শুধু কুন বইল্যা সৃষ্টি করসে? মুরিদ- জ্বী হুজুর পীর- জানস তো আল্লাহ মাটি দিয়া প্রথম মানুষ সৃষ্টি করসে আর আগুন দিয়া শয়তানরে সৃষ্টি করসে? মুরিদ- জ্বী হুজুর জানি পীর- তুই কি জানস আল্লাহ নিখুঁতভাবে এই মহাবিশ্ব চালাইতেছে, তার কুনো ভুল নাই ? তুই জানস কি এমন কিছু হয় নাই যা আল্লাহ জানেনা, এমন কিছু হইতেসে না যা আল্লাহ জানেনা, এমন কিছু হইবনা যা আল্লাহ জানেনা? মুরিদ- হ হুজুর তা জানি। তয় হুজুর একডা প্রশ্ন আছিল, যদি কইতে বলেন তো কই? পীর- হাঁ, ক মুরিদ- কাল শুনলাম আমার এক দোস্তের ক্যানছার হইছে। হুজুর তার কুনো নেশা ছিলনা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রোজা, সালাত, জাকাত সব করতো। তারপরও আল্লাহ তারে এই রোগ দিলো ক্যান? পীর- তুই একটা গর্দভ, এখনও গর্দভই রয়া গেলি! তুই জানস না যে আল্লাহ আমোগো জান, মাল কবজ কইরা আমাদের পরীক্ষা লয়। যদি তুই হেই পরীক্ষায় পাশ করস তাহলে জান্নাতে তুই হুর,সূরা সব পাবি। মুরিদ- জ্বী হুজুর। কিন্তু আল্লাহ সব জানে তাইলে পরীক...

রাসেল খন্দালের চিন্তা ধারা

" নাস্তিকতার জন্ম " ধর্ম জন্মের সাথে সাথেই। এক দল আউট, লম্পট ও মহা মিথ্যাবাদী যখন স্রষ্টা ধারণাকে পুঁজি করে ডাহা মিথ্যা আজগুবি সব গল্প দিয়ে ধর্মগুলো বানাতে শুরু করলো ঠিক তখনই সৎ সত্যবাদী ও প্রতিবাদী কণ্ঠের "নাস্তিক সম্প্রদায়ের" জন্ম তথা আবির্ভাব হলো। এখন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শালীন সভ্য ও শুশিক্ষিত চরম উন্নত এবং শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গুলো সকলই নাস্তিকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ তিতিক্ষায় গড়া।

জানতে হবে

তাহসান আবির নামের এক বেক্তির প্রশ্ন_ নাস্তিকরা এতো চেষ্টা করেও ধর্মকে ঠেকিয়ে বা বিলুপ্ত করতে পারছে না কেনো? (১)রীজবি নামের এক বেক্তির উত্তরঃ- কারণ মানুষ অনেক ভয় পায় নিজেকে নিয়ে। তারা পাপ করে, তারপর ঈশ্বরের উপাসনা করে আর ভাবে পরকালে সব মাফ । (২)কারন ধার্মিকরা বলদ?জ্ঞান বুদ্ধি নাই যা বলে তা বিশ্বাস করে। (৩)The call of Humanity বলেছেনঃ- কারণ ধার্মিক হওয়ার জন্য অন্ধভাবে বিশ্বাসই যথেষ্ঠ (যাহা যে কেহই পারে) নাস্তিক হতে নৈতিক শত্তিধর যুক্তিবাদী জ্ঞান অর্জন প্রয়োজন। (যাহা চাইলেও অনেকের মাথায় ঢুকানো সম্ভব নয়)